১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছ-মুরগির দাম স্থিতিশীল, সবজিতে স্বস্তি ফিরছে রংপুরের বাজারে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৭৮ Time View

মাছ-মুরগির দাম স্থিতিশীল, সবজিতে স্বস্তি ফিরছে রংপুরের বাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরও রংপুরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। অধিকাংশ সবজি এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রংপুর নগরের সিটি বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। ডজনপ্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, বাজেটে এসব পণ্যের ওপর নতুন কোনো কর বা শুল্ক আরোপ না হওয়ায় দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

মাছের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা এবং মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। দেশি টেংরা, বাইম ও শোল মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও জাতভেদে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

কাঁচাবাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বেড়েছে। করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা ও লতি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল, কাঁকরোল, বেগুন ও শসার দামও সাধারণ ক্রেতার নাগালের মধ্যে রয়েছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি।
বাহার কাছনা এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী আক্কাস আলী বলেন, “আজ ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি। ঈদের আগের তুলনায় বাজার এখন স্থিতিশীল।”

রংপুর নগরের অটোরিকশাচালক সাগর মিয়া বলেন, “কয়েক সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কমেছে। ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যেই বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।”

ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমি সবজির উৎপাদন বাড়ায় বাজারে সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। ফলে দামও নিয়ন্ত্রণে আছে। অন্যদিকে ঈদুল আজহার পর গরুর মাংসের দামও বাড়েনি। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজেট-পরবর্তী সময়ে রংপুরের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বিশেষ করে সবজির দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

Tag :
About Author Information

মাছ-মুরগির দাম স্থিতিশীল, সবজিতে স্বস্তি ফিরছে রংপুরের বাজারে

Update Time : ০৮:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

মাছ-মুরগির দাম স্থিতিশীল, সবজিতে স্বস্তি ফিরছে রংপুরের বাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরও রংপুরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। অধিকাংশ সবজি এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রংপুর নগরের সিটি বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। ডজনপ্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, বাজেটে এসব পণ্যের ওপর নতুন কোনো কর বা শুল্ক আরোপ না হওয়ায় দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

মাছের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা এবং মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। দেশি টেংরা, বাইম ও শোল মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও জাতভেদে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

কাঁচাবাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বেড়েছে। করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা ও লতি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল, কাঁকরোল, বেগুন ও শসার দামও সাধারণ ক্রেতার নাগালের মধ্যে রয়েছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি।
বাহার কাছনা এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী আক্কাস আলী বলেন, “আজ ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি। ঈদের আগের তুলনায় বাজার এখন স্থিতিশীল।”

রংপুর নগরের অটোরিকশাচালক সাগর মিয়া বলেন, “কয়েক সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কমেছে। ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যেই বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।”

ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমি সবজির উৎপাদন বাড়ায় বাজারে সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। ফলে দামও নিয়ন্ত্রণে আছে। অন্যদিকে ঈদুল আজহার পর গরুর মাংসের দামও বাড়েনি। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজেট-পরবর্তী সময়ে রংপুরের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বিশেষ করে সবজির দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।