রংপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশীর লাঠির আঘাতে যুবকের মৃত্যু
রংপুর প্রতিনিধিঃ
রংপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশীদের লাঠির আঘাতে মো. পলাশ মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।
নিহত পলাশ মিয়া রংপুরের হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার আরাজী বিরচণ এলাকার মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ আগস্ট সোমবার বিকেল ৫টার দিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পলাশ মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশীদের কথা- কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে প্রতিবেশী মোজাহার হোসেনের নেতৃত্বে জাফর মিয়া (৫০), সাব্বির মিয়া (২৫), সজিব মিয়া (১৯), মানিক মিয়া (২৭), সজীব হোসেন (১৯) ও সোনা মিয়া-(২৮) গং দ্বয় লাঠিসোঁটা নিয়ে পলাশের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ সময় লাঠির আঘাতে পলাশ গুরুতর রক্তাক্ত ও জখম হন। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ৯নং ওয়াড জামাতের নেতা আজহার কবির বলেন, মার্ডারের ঘটনাটি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই ঘটেছে। এধরনের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ মেনে নেয়া যায়না। আসামিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৪/২০২৬, তারিখ ১৯ আগস্ট। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/১৪৭/১৪৮/ ১৪৯/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০২/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় সাতজনকে আসামি ও অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বাদী পক্ষ জানান, সুলতান হোসেনের ছেলে জাফর মিয়া (৫০), সাদুল্লাহ হোসেনের ছেলে মোজাহার হোসেন (৫০), মোজাহার হোসেনের ছেলে সাব্বির ও সজিব (১৯), আবুল হোসেনের ছেলে মানিক মিয়া (২৭), মোজাহার হোসেনের ছেলে সজীব হোসেন (১৯) এবং আক্কাস আলীর ছেলে সোনামিয়া (২৮)।
এ বিষয়ে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক চৌহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
Reporter Name 









