১০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক গণপতির মরদেহ ছাদে, স্ত্রী-মেয়ে সিঁড়িতে, ছেলের মরদেহ খাটের নিচে পরে ছিলো 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ Time View

শিক্ষক গণপতির মরদেহ ছাদে, স্ত্রী-মেয়ে সিঁড়িতে, ছেলের মরদেহ খাটের নিচে পরে ছিলো

রংপুর প্রতিনিধিঃ
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে মাছুয়াপাড়া এলাকার ওই বাড়ির তালা খুলে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছোট ছেলে রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িটির দরজা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে চারজনের মরদেহ দেখতে পায়।

পুলিশ সূত্র জানায়, গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ বাড়ির ছাদে পড়ে ছিল। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ পাওয়া যায় সিঁড়িতে। আর ছোট ছেলের মরদেহ ছিল খাটের নিচে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

চারজনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁদের কি কারনে হত্যা করা
হয়েছে তা খতিয়ে দেখছি পুলিশ।

পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাজমুল কাদের জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত ও তদন্তের পর চারজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :
About Author Information

শিক্ষক গণপতির মরদেহ ছাদে, স্ত্রী-মেয়ে সিঁড়িতে, ছেলের মরদেহ খাটের নিচে পরে ছিলো 

Update Time : ০৭:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষক গণপতির মরদেহ ছাদে, স্ত্রী-মেয়ে সিঁড়িতে, ছেলের মরদেহ খাটের নিচে পরে ছিলো

রংপুর প্রতিনিধিঃ
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে মাছুয়াপাড়া এলাকার ওই বাড়ির তালা খুলে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছোট ছেলে রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িটির দরজা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে চারজনের মরদেহ দেখতে পায়।

পুলিশ সূত্র জানায়, গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ বাড়ির ছাদে পড়ে ছিল। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ পাওয়া যায় সিঁড়িতে। আর ছোট ছেলের মরদেহ ছিল খাটের নিচে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

চারজনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁদের কি কারনে হত্যা করা
হয়েছে তা খতিয়ে দেখছি পুলিশ।

পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাজমুল কাদের জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত ও তদন্তের পর চারজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।