১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইজিংয়ে তারেক রহমানের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতা, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে একাধিক বৈঠক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১০ Time View
  • বেইজিংয়ে তারেক রহমানের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতা, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে একাধিক বৈঠক

বেইজিং, চীন, ২৫ জুন
চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এদিন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী Li Qiang-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এদিন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী Liu Haixing এবং পানিসম্পদমন্ত্রী Li Guoying-এর সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ উন্নয়ন এবং পরিবেশগত সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ ছাড়া ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে শিল্প, জ্বালানি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সফরসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘সুবর্ণ ৫০ বছর’ উপলক্ষে এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উভয় দেশই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

 

Tag :
About Author Information

বেইজিংয়ে তারেক রহমানের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতা, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে একাধিক বৈঠক

Update Time : ০৫:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • বেইজিংয়ে তারেক রহমানের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতা, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে একাধিক বৈঠক

বেইজিং, চীন, ২৫ জুন
চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এদিন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী Li Qiang-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এদিন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী Liu Haixing এবং পানিসম্পদমন্ত্রী Li Guoying-এর সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ উন্নয়ন এবং পরিবেশগত সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ ছাড়া ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে শিল্প, জ্বালানি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সফরসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘সুবর্ণ ৫০ বছর’ উপলক্ষে এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উভয় দেশই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।