সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৬,জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের বরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দুদকের চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। সরকার কোনো ব্যক্তির প্রতি অবিচার করতে চায় না। তবে তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে সরকার সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই অনুসরণ করবে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী দাবি করেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে, যা দেশের দুই থেকে তিনটি জাতীয় বাজেটের সমপরিমাণ। তিনি খুলনায় একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এবং পিরোজপুরে এলজিইডির একটি প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তুলে ধরেন।
জুলাই অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বর্তমানে মিথ্যা মামলার প্রবণতা আগের তুলনায় কমেছে।
নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে নিয়মিত অধ্যয়ন, দক্ষতা, পেশাগত সততা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানসিকতার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রায় এক হাজার ৫৪ জন নবীন আইনজীবী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
Reporter Name 















