সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের কাজের সুযোগ বাড়াতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের আরও বেশি করে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাইকে নিয়ে দেশটিকে গঠন করতে চাই। যারা সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা আছেন, তাদের আরও বেশি করে কাজ করার সুযোগ করে দিতে চাই।”
তিনি বলেন, রাজস্ব সম্মেলনকে তিনি সাধারণ কোনো সম্মেলন হিসেবে দেখছেন না।
এনবিআরের কার্যক্রমের সাফল্যের ওপর সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই আগামী দিনে আরও সাফল্যের পথনির্দেশনার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের প্রভাব থেকে রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো এনবিআরও মুক্ত থাকতে পারেনি। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব এবং রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। এতে মানুষের আস্থাও নষ্ট হয়।
তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। জনগণ এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, করদাতাদের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব কর্মকর্তাদেরই নিতে হবে। সরকার এনবিআরসহ পুরো রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিতে চায় না সরকার। তাই রাজস্ব আহরণের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের ক্ষেত্র ও উৎস বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, আয় ও রাজস্বের উৎস বাড়াতে সরকার গণমুখী উৎপাদন নীতি গ্রহণ করেছে।
এতে দেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন বাড়বে, মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি জনগণ আরও উন্নত সরকারি সেবা পাবে। এসব ক্ষেত্রে এনবিআরের দক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Reporter Name 















