কাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরেও জাপানের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ব্রাজিল
ক্রীড়া প্রতিবেদক,
দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও জাপানের দৃঢ় রক্ষণ ও গোলরক্ষক সুজুকির দুর্দান্ত নৈপুণ্যের কারণে কাঙ্ক্ষিত জয় পায়নি ব্রাজিল। কাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরলেও বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
৫২ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো ক্রস থেকে গিমারেস জোরালো হেডে গোলের চেষ্টা করেন। তবে জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি অসাধারণ ডাইভ দিয়ে বলটি প্রতিহত করেন।
তিন মিনিট পর কাসেমিরোর কাছ থেকে আসে ব্রাজিলের আরেকটি বড় সুযোগ। খুব কাছ থেকে নেওয়া তার হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন তোমিয়াসু। রিবাউন্ডেও গোলমুখে সৃষ্টি হওয়া জটলায় আবারও বল ব্লক করে দলকে রক্ষা করেন এই ডিফেন্ডার।
ক্রমাগত চাপের মুখেও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায় জাপান। তবে শেষ মুহূর্তে তাদের একটি আক্রমণ সঠিকভাবে শেষ না হওয়ায় বিপদ কেটে যায় ব্রাজিলের।
এরপর সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান কাসেমিরো। ব্রাজিলের ধারাবাহিক আক্রমণের পুরস্কার হিসেবে আসে এই গোল।
গোলের তিন মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুর্দান্ত ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়ে জাপানের রক্ষণভাগ ভেঙে বক্সে ঢুকে শট নেন। গোলরক্ষক সুজুকিকে পরাস্ত করলেও তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরে জাপানের ডিফেন্ডাররা বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন।
৭৫ মিনিটে এন্দ্রিকের দারুণ পাস থেকে সুযোগ পান ভিনিসিয়ুস। তবে বক্সে ঢোকার পর তার শেষ পাসটি ঠিকমতো সতীর্থের কাছে পৌঁছায়নি।
এর কিছুক্ষণ পর গ্যাব্রিয়েলের উঁচু ক্রস থেকে রায়ানের হেড সুজুকির গায়ে লেগে কর্নার হয়। কিন্তু সেই কর্নার থেকেও উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ব্রাজিল।
ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের আরেকটি শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে কর্নার হলেও শেষ পর্যন্ত জাপানের রক্ষণ আর ভাঙতে পারেনি ব্রাজিল।
Reporter Name 















