১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪৬, নিখোঁজ প্রায় ৫০০

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ Time View

নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪৬, নিখোঁজ প্রায় ৫০০

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এখনো প্রায় ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপাল ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।

এতে শত শত মানুষ কাদা ও পানির নিচে চাপা পড়েন। ভোতকোশি নদীর তীরবর্তী এলাকা ও সেখানকার বিভিন্ন অবকাঠামো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্তের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, লেন্দে নদীতে বরফধসের কারণে নদীর পানিপ্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেখানে বিপুল পরিমাণ পানি জমে ছিল।

বুধবার সকাল নয়টার দিকে তিব্বতে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভূমিকম্পের প্রভাবে জমে থাকা বরফ সরে যায় এবং আটকে থাকা পানি হঠাৎ করে ভোতকোশি নদীতে নেমে আসে। এর ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।

জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত জানান, প্রাথমিকভাবে চীনা বিজ্ঞানীদের কাছ থেকেও বরফধস ও ভূমিকম্পের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বন্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।

বন্যায় নেপালের পাশাপাশি তিব্বতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলো অভিযান চালাচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪৬, নিখোঁজ প্রায় ৫০০

Update Time : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪৬, নিখোঁজ প্রায় ৫০০

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এখনো প্রায় ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপাল ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।

এতে শত শত মানুষ কাদা ও পানির নিচে চাপা পড়েন। ভোতকোশি নদীর তীরবর্তী এলাকা ও সেখানকার বিভিন্ন অবকাঠামো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্তের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, লেন্দে নদীতে বরফধসের কারণে নদীর পানিপ্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেখানে বিপুল পরিমাণ পানি জমে ছিল।

বুধবার সকাল নয়টার দিকে তিব্বতে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভূমিকম্পের প্রভাবে জমে থাকা বরফ সরে যায় এবং আটকে থাকা পানি হঠাৎ করে ভোতকোশি নদীতে নেমে আসে। এর ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।

জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত জানান, প্রাথমিকভাবে চীনা বিজ্ঞানীদের কাছ থেকেও বরফধস ও ভূমিকম্পের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বন্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।

বন্যায় নেপালের পাশাপাশি তিব্বতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলো অভিযান চালাচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।